You are here : Home »

Latest Post

National Xtreem লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
National Xtreem লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

চরমোনাইয়ের পীরের ছেলে রেদওয়ান গ্রেপ্তার- অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

Written By bdnews online on বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ | ১:১০ AM

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এইমওয়ে করপোরেশন লিমিটেড নামের এক প্রতিষ্ঠানের মালিক রেদওয়ান বিন ইসহাককে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পল্টন থানার পুলিশ। তিনি চরমোনাইয়ের পীর ফজলুল করিমের ছেলে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান প্রথম আলো ডটকমকে জানান, গতকাল দিবাগত রাত তিনটার দিকে বাড্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ৫ জুলাই আবদুস সাত্তার নামের এক ব্যক্তি সোয়া দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পল্টন থানায় রেদওয়ানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা করে আরও কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পল্টন থানায় মামলা রয়েছে। এসব মামলায় ইতিপূর্বে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।
এইমওয়ে কোম্পানির অধীনে বহুধাপ বিপণন ব্যবসা (এমএলএম) রয়েছে।
সূত্র : প্রথম আলো।

৪২ বাংলাদেশি তরুণী ভারত থেকে ফিরল

বেনাপোল চেকপোষ্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান  জানান, দালালদের সহায়তায় তিন বছর আগে এসব তরুণীরা বোম্বে যান। সেখানে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে কাজ নেন। এর কিছুদিন পরই ভারতীয় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার হন তারা। পরে দুই বছর কারাভোগের পর "রেসকিউ ফাউন্ডেশন" নামে একটি ভারতীয় এনজিও সংস্থা জেলখানা থেকে তাদের উদ্ধার করে নিজস্ব সেল্টার হোমে আশ্রয় দেয়।
পরে মানবাধিকার সংগঠন রাইটস যশোর ও জাতীয় মহিলা আইনজীবি সমিতি উভয় দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন চিঠি চালাচালির পর তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার অনুমতি পায়। ভারতীয় পুলিশ সোমবার রাত নয়টায় তাদের বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বেনাপোল পুলিশ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করে। তাদেরকে আত্মীয়-স্বজনের কাছে ফিরিয়ে দিতে রাইটস যশোর ও জাতীয় মহিলা আইনজীবি সমিতির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃঞ্চ মল্লিক জানান, ভারত থেকে ফেরত আসা তরুণীদের যশোরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।তাদের স্বজনদের কাছে তুলে দেয়া হবে।
ভারতে দুই বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরেছে ৪২ জন তরুণী, দুই শিশু ও এক পুরুষ। সোমবার রাতে যশোরের বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে তাদের হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ।
 

‘জাতীয় নেতা’ ওয়াক্কাসের মুক্তি চান খালেদা

Written By bdnews online on সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ | ১০:২৬ AM

হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাসকে গ্রেপ্তারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেছেন, মুফতি ওয়াক্কাসের মতো ‘জাতীয় নেতাকে’ গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে সরকার দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ‘উপসংহারহীন’ অবস্থার দিকে টেনে নিয়ে গেল।
আজ সোমবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা এ কথা বলেন।
আজ দুপুরে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাসকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশ জানায়, গত ৫ মে হেফাজতের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচিতে ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
তাঁকে গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, ‘প্রতিহিংসা ও বন্য বিচারই হচ্ছে বর্তমান আওয়ামী সরকারের শাসনের মূল বৈশিষ্ট্য। বিরোধী মত ও চিন্তাকে অত্যন্ত নৃশংস কায়দায় এই সরকার গত পাঁচ বছর দমন করে এসেছে।’
নিজেদের ‘অপশাসন’ টিকিয়ে রাখতে সরকার বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে বলে অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া। সরকারকে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, ‘নিজেদের সংযত করুন, জনগণের গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিন। অন্যথায় জনগণের ক্রোধ থেকে রেহাই পাবেন না।’

আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ: উপজেলা চেয়ারম্যান নিহত

Written By bdnews online on রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ | ৮:০১ AM

এক্সট্রিম ডেক্স ‍: ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান ফুরকান উদ্দিন সেলিম নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ১০ জন। আজ রবিবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটে।

ইউএনও আলমগীর হোসাইন সাংবাদিকদের জানান, আজ ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রবেশ ও খাবার বিতরণকে কেন্দ্র করে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফুরকান উদ্দিন সেলিম গ্রুপের সাথে গামারী তলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আজিজুুল হক খানের গ্রুপের মধ্যে প্রথমে কাটাকাটি হয় এবং এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে হমলা-পাল্টা হামলা হয়। উভয়ের মধ্যে আরো উত্তেজনা দেখা দিয়ে প্রশাসন উপজেলা সদরে ১৪৪ ধারা জারি করে। বিকাল ৫টার দিকে উভয় গ্রুপই ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান ফুরকান উদ্দিন সেলিমসহ কমপক্ষে ১০জন আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ গুলি, টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। গুরুতর আহত উপজেলা চেয়ারম্যান ফুরকান উদ্দিন সেলিম, ভাই মজনু ও টিপুকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ফুরকান উদ্দিন সেলিম মারা যান।

ওসি আব্দুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থালে র্যাব ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সাকাকে মুক্তি না দিলে আদালত ভবন উড়িয়ে দেয়ার হুমকি

এক্সট্রিম ডেক্স ‍: একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীকে মুক্তি না দিলে চট্টগ্রামের আদালতসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ভবন উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা মুখ্য বিচারিক হাকিম বরবার অনেকটা আবেদনপত্র ধরনের একটি চিঠিতে এই হুমকি দেয়া হয়।

চিঠিতে আগস্ট মাসের মধ্যে সালাউদ্দিন কাদেরের মুক্তি দাবি করা হলেও এটি একদিন পরে রবিবার বিকাল ৪টার দিকে জেলা মুখ্য বিচারিক হাকিম রুহুল আমীনের কার্যালয়ে পৌঁছায়।

দাবি পূরণ না হলে আদালতের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দর ভবন, বিদ্যুৎ ভবন, কাস্টমস ভবনও উড়িয়ে দেয়ার হুমকি রয়েছে চিঠিতে।

একই সঙ্গে মুখ্য বিচারিক হাকিমকে লেখা চিঠিতে বলা হয়, ‘যদি মুক্তি না হয়, তাহলে আপনার লাশটা পারিবারকে উপহার দেব। মুক্তি যদি না দেন তাহলে আপনাদের পরিবারের সবাইকে লাশ করে দেব।’

ডাকে পাঠানো ওই চিঠিটি প্রেরক হিসাবে সাতজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। নিজেদের ফটিকছড়ি ও রাউজানের বাসিন্দা বলে উল্লেখ করেছেন তারা। প্রসঙ্গত, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে। তিনি ফটিকছড়ি সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।

চিঠির নিচে লেখা রয়েছে- ‘আমরা সবাই সাকা চৌধুরীর মুক্তি চাই। আমাদের নাম গুলো দেয়া হল’।

ক্রমানুসারে নামগুলো হলো- ১) দোলন, শীলপাড়া, পথের হাট, নোয়াপাড়া; ২) মুন্নী দাশ পিতা-বাদল দাশ, শীল পাড়া, পথের হাট, নোয়াপাড়া; ৩) জসিম উদ্দিন, মুসলিমপাড়া, পথের হাট, রাউজান; ৪) কামাল আহমেদ, মুসলিমপাড়া, পথের হাট; ৫) প্রদীপ দাশ, গ্রাম-কাশি, পটিয়া; ৬) মান্না হাসান মিয়া, মুসলিমপাড়া, রাউজান ও ৭) মহিউদ্দিন আহমেদ, মুসলিমপাড়া, ফটিকছড়ি।

এদিকে, উড়োচিঠিতে দেয়া হুমকির পর আদালত ভবন এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মহিউদ্দিন সেলিম ডটকমকে বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে এবং এতে জড়িতদের গ্রেপ্তারে তদন্ত ও অভিযান শুরু হয়েছে।

বিভ্রান্ত না হয়ে নৌকাকে ফের বিজয়ী করুন: শেখ হাসিনা

এক্সট্রিম ডেক্স ‍: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই দেশের উন্নয়ন হয়। আর বিএনপি এলে উন্নয়নের পরিবর্তে চলে মিথ্যাচার। বিরোধী দল এখনো মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।

তিনি বিরোধী দলের এই অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ২০২১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ দেশ গড়তে নৌকাকে ফের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী রবিবার বিকেলে সাভার আশুলিয়ায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আযোজিত পোশাক কারখানার নারী শ্রমিকদের আবাসনের জন্য ১২তলা বিশিষ্ট ডরমেটরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে জনসভায় এসব কথা বলেন।

তিনি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার বাবা-মাসহ পরিবারের লোকদের নির্মমভাবে হত্যা করে আমাকে নিঃস্ব করে দেয়া হয়েছে। এরপর আমি এদেশের মানুষের জন্য কেন কাজ করছি! আমি আমার সন্তানদের লেখাপড়া শিখিয়ে বড় করেছি। আমি কাজ করছি জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণে। আপনাদের ভাগ্যন্নোয়নে। আপনারা নৌকায় ভোট দিন, আমি আপনাদের পাশে থাকব।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশে এখন তেঁতুল তত্ত্ব এসে গেছে। তা সমর্থন করছেন বিএনপি নেত্রী। তারা নারীদের ঘরে বসিয়ে রেখে তাদের স্বচ্ছলতার পথ বন্ধ করে দিতে চায়। তেঁতুল হুজুর যিনি ফতোয়া দিয়েছেন, তাকে বলতে চাই- ইসলাম ধর্মের প্রথম অনুসারী বিবি খাদিজা, জিহাদে শহীদ হয়েছেন বিবি সুমাইয়া। কাজেই ইসলামের নাম করে মেয়েদের লেখাপড়া ও কাজ বন্ধের চেষ্টা করবেন না। মেয়েরা কাজ করে আর্থিকভাবে বাঁচবে, স্বচ্ছল হবে সে ব্যবস্থা আমরা করব।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘আওয়ামী লীগ ইসলামের সিবচেয়ে বেশি খেদমত করে। অথচ আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হয়। তারা অপবাদ দিচ্ছে শাপলা চত্বরে আড়াই হাজার লোক মারা গেছে। আমরা চ্যালেঞ্জ করলে তা ৬১ জনে নেমে আসে। এর মধ্যেও অনেকের ঠিাকারা ভুয়া। তারা মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে। তারা কাবা শরীফ নিয়েও মিথ্যাচার করেছে।’

শেখ হাসিনা প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘ধর্মের নাম নিয়ে যারা মিথ্যা কথা বলে তারা কিভাবে ধর্মের সেবা করবে? অথচ জামায়াত, বিএনপি ও হেফাজত কর্মীরা কোরআন শরীফ পুড়িয়েছে। তারা বলে আমরা ক্ষমতায় থাকলে নাকি আযান বন্ধ হয়ে যাবে। দেশে কি এখন আযান হয় না? জানাযা হয় না?’

পোশাক শ্রমিকদের উন্নয়নের মহাজোট সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শ্রমিকদের উন্নয়ন ও সেবা করতে চাই। পোশাক কারখানার নারী শ্রমিকদের বাসস্থানের ব্যবস্থার জন্যই হোস্টেল নির্মাণ করছি। শ্রমিকদের জন্য মালিকদের ডেকে নূন্যতম মজরি ৩ হাজর টাকা করতে আমি মালিকদের বাধ্য করেছি। ৩ বছর পার হওয়ায় আবারো মজরি বৃদ্ধি করতে নির্দেশ দিয়েছি। মহিলা শ্রমিকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ক্ষুদ্র ঋণ দিয়ে ছিন্নমূল লাখ লাখ পরিবারকে সাবলম্বী করা হচ্ছে। রানা প্লাজা ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা দিয়েছি। অতীতে কোনো প্রধানমন্ত্রী তার তহবিল থেকে এমন কাজ করেনি। আমি বলেই আপনাদের জন্য এটা করতে পেরেছি।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিসহ দেশের উন্নয়নের নান চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার রাজনীতিই দেশের মানুষের জন্য। খেটে খাওয়া সব মানুষ যাতে ভালোভাবে বাঁচতে পারে সেজন্য। আর বিএনপির রাজনীতি হলো শ্রমিকদের টাকায় বিলাসিতা করা।’

তাই দেশে উন্নয়নে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিভ্রান্ত না হয়ে তার জবাব দিতে শ্রমিকদের প্রতি আহবান জানান শেখ হাসিনা।

পোশাক কারখানার নারী শ্রমিকদের জন্য হোস্টেল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এ জনসভায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকির সভাপতিত্বে নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ফজিলাতুন নেছা ইন্দিরা, বিজিএমইএ সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়ার সমাধিতে খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা

এক্সট্রিম ডেক্স ‍: নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারাদেশে পালিত হচ্ছে বিএনপির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার সকাল থেকে সারাদেশে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

এছাড়াও যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, ছাত্রদল, মৎস্যজীবী দল, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)সহ অঙ্গ-সংগঠনগুলো আলাদা আলাদা কর্মসূচি পালন করছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আলোচনা সভা, মিলাদ-মাহফিল, স্বেচ্ছায় রক্তদান। এছাড়া কেন্দ্রীয়ভাবে ২ দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আ স ম হান্নান শাহ, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুববিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক হাবিব-উন নবী খান সোহেল, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সহ-দফতর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, ওলামা দলের সভাপতি এম এ মালেক, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নীরব, বিএনপি নেত্রী শাম্মী আক্তার, হেলেন জেরিন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ- আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল, স্বেচ্ছায় রক্তদান।

এক্সট্রিম ডেক্স ‍: বিএনপির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৭৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, ইসলামী মূল্যবোধ এবং স্ব-নির্ভর দেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করেন মাটি ও মানুষের অবিসংবাদিত নেতা এবং তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্লোগানে ১৯ দফা কর্মসূচি নিয়ে পথচলা শুরু করে দেশের মাটি ও মানুষের দল বিএনপি। নানা চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটে একাধিবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হয়ে দেশ পরিচালনা করেছে দলটি।

১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের পর দেশের মানুষ চেয়েছিলো সত্যিকারের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চ সে স্বপ্নেই পুরো জাতিকে শোনিয়েছিলেন স্বাধীনতার ঘোষণা। মুক্তিযুদ্ধের পরও দেশের গণতন্ত্র আর অধিকার নিয়ে মানুষ যখন ক্রান্তিকাল পাড়ি দিচ্ছিল, সব দল নিষিদ্ধ করে যখন গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে দেয়া হয়, সেই ক্রান্তিকালেই দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন  জিয়াউর রহমান। বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র রুদ্ধ দ্বার উন্মুক্ত করে দেন তিনি।

মাটি ও মানুষের যে অবিসংবাদিত নেতা দেশকে এগিয়ে নেয়ার সংগ্রামে পুরো জীবন কাটিয়ে দিলেন মানুষের দ্বারে দ্বারে। তাকেই শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের করুণ ভাগ্য মেনে নিতে হলো। ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে কিছু বিপদগামী সেনা সদস্যদের হাতে শাহাদাতবরণ করেন জিয়াউর রহমান।

মহান এ নেতার পর কোটি মানুষের প্রিয় সংগঠন বিএনপির নেতৃত্বের দায়িত্বভার অর্পিত হয় তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ওপর। এরপর থেকে বেগম খালেদা জিয়া দলটির চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে ১৯৯১-৯৫ ও ২০০১-০৬ সালসহ বিএনপি তিনবার সরকার গঠন করে।  প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা উত্থান-পতনের মাধ্যমে ৩৫ বছর পার করেছে বিএনপি।

বর্তমানে দলটি দেশের একটি বৃহৎ শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরই মানুষের অধিকার আদায়, জাতীয় সংকট মোকাবেলা ও দেশ পরিচালনায় যে সাফল্য তার পেছনে রয়েছে বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম।

স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত দলটির ওপর সবচেয়ে বড় যড়যন্ত্র ও বিপর্যয় নেমে আসে ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থার সময়। ফখরুদ্দিন-মইনউদ্দিনের সরকারের অধীনে ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি পরাজিত হয়।

২০০৭ সালে জরুরি অবস্থার প্রেক্ষাপটে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। শুধু গ্রেফতার করেই ষড়যন্ত্রকারীরা ক্ষান্ত হয়নি, তারা কারারুদ্ধ করে জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরী বংলাদেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তারেক রহমানকেও। দেশের তৃণমূল পর্যায়ে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও দেশের প্রতি ভালোবাসার জন্য তাকে ষড়যন্ত্রকারীদের অমানবিক নির্যাতন সহ্য করতে হয়। ওই সময় সংস্কারের কথা বলে দলের বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতাকে দিয়ে বিএনপিকে ভাঙ্গার সর্বাত্মক চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু গণমানুষের কাছাকাছি দলের অবস্থান হওয়ায় সে দিনকার সেই চেষ্টা সফল হয়নি বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম, আপসহীন অবস্থান ও  দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে । সেই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে বিএনপি আবারও তার রাজনৈতিক শক্তিমত্তা জানান দিতে সক্ষম হয়েছে।

এদিকে প্রতি বছরের মতো এবারও দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো নেতাকর্মীরা। কেন্দ্রীয়ভাবে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এছাড়াও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো সারাদেশে নানা কর্মসূচি পালন করছে।  শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ রবিবার সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

এরপর অঙ্গ-সংগঠনগুলোও শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল থেকে সারাদেশে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এছাড়াও যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, ছাত্রদল, মৎস্যজীবী দল, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)সহ অঙ্গ-সংগঠনগুলো আলাদা আলাদা কর্মসূচি পালন করবে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল, স্বেচ্ছায় রক্তদান।
 
E-mail : newsbd4@gmail.com
Copyright © 2013-14. XtremeNews Bangladesh Inc. - All Rights Reserved
Powered by Xtreem News ICT Team