You are here : Home »

Latest Post

Sports Xtreme লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Sports Xtreme লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রোমাঞ্চকর জয় বার্সার, মেসির হ্যাটট্রিক

Written By bdnews online on সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ | ১০:১২ AM

৪০ মিনিটেই স্কোর লাইন ৩-০। হ্যাটট্রিক করে ফেলেছেন লিওনেল মেসি। মনে হচ্ছিল, নিজেদের মাঠে বড় লজ্জাতেই পড়তে যাচ্ছে ভ্যালেন্সিয়া। কদিন আগে যে রকম লজ্জায় লেভান্তেকে ফেলেছিল বার্সেলোনা। কিন্তু না, ম্যাচ জমে উঠল দারুণভাবে। প্রথমার্ধের শেষ চার মিনিটে বার্সার জালে দুই গোল শোধ করে দিল ভ্যালেন্সিয়া। প্রথমার্ধের শেষ নয় মিনিটে চার-চারটি গোল! দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। কিন্তু তাই বলে প্রথমার্ধের চেয়ে দ্বিতীয়ার্ধে উত্তেজনা কম ছিল না। যেটিকে মনে হচ্ছিল নিতান্তই একপেশে ম্যাচ, সেটাই রূপ বদলে এই মৌসুমের অন্যতম সেরা রোমাঞ্চকর ম্যাচ হয়ে উঠল। ৩-২ গোলে জিতল বার্সা। উঠে এল লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে।
সদ্যই চোট কাটিয়ে ফিরেছেন। মেসির ফিটনেস নিয়ে কিছুটা সংশয় ছিলই। তবে সেই সংশয়কে গত রাতে মিথ্যে প্রমাণ করলেন বার্সা জাদুকর। খেললেন দুর্দান্ত। দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর তিনটা দুর্দান্ত শট ঠেকিয়েছেন ভ্যালেন্সিয়ার গোলরক্ষক। একটি শট ডান পোস্টে হাওয়া লাগিয়ে বেরিয়ে গেছে। না হলে কাল রাতে ডাবল হ্যাটট্রিক হয়ে যায় মেসির। বার্সাও জিততে পারত বড় ব্যবধানে। জিততে পারত, আবার হেরেও যেতে পারত বার্সা। নিজের শেষ মৌসুম খেলতে নামা ভিক্টর ভালদেস নিজেকে যেন নতুনভাবে চেনাচ্ছেন। দুর্দান্ত দুটো সেভ করে বার্সাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন এই গোলরক্ষক। ভ্যালেন্সিয়ার একটি শট বাঁ পোস্টে লেগে ফিরেও এসেছে। মেসির হ্যাটট্রিকের পাল্টা জবাব হিসেবে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল সতীর্থ হেলদার পস্তিগা করেছেন জোড়া গোল। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে দুটো গোল করে ম্যাচটা জমিয়ে তুলেছিলেন তিনিই। মেসি তিন, পস্তিগা দুই—এভাবেই কাল জমে উঠেছিল ম্যাচটি।
শেষ পর্যন্ত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে বার্সা। শেষ দিকে ভ্যালেন্সিয়া তো রীতিমতো চেপেই বসেছিল। সমতাসূচক গোলের জন্য হয়ে উঠেছিল মরিয়া। বার্সার জন্য অবশ্য এর চেয়ে বড় স্বস্তি হয়ে এসেছে মেসি-নেইমারের যুগলবন্দী। গত ম্যাচে ফ্লপ এই জুটি কাল বেশ জমে ওঠার ইঙ্গিত দিল। মেসির তৃতীয় গোলটির উত্সও ছিলেন নেইমার। অবশ্য বার্সার আসল কারিগর সেস ফ্যাব্রিগাস। এরই মধ্যে তিন ম্যাচে ছয়টি গোল করিয়েছেন এই মিডফিল্ডার।  
ম্যাচের ১১ মিনিটে এগিয়ে যায় বার্সা। ফ্যাব্রিগাসেরই বাড়িয়ে দেওয়া পাস থেকে বল পেয়েছিলেন মেসি। একদম ভুল করেননি বার্সার প্রাণভোমরা। ভ্যালেন্সিয়ার রক্ষণভাগে বাধার মুখোমুখিও হতে হয়নি মেসিকে। গোলরক্ষককে পাশ কাটিয়ে বেশ সহজেই বল জড়িয়ে দেন প্রতিপক্ষের জালে। ৩৯ মিনিটের মাথায় ফ্যাব্রিগাসের পাস থেকে আবারও বল পেয়ে যান মেসি। সুযোগটাও মিস করেননি আর্জেন্টাইন তারকা। ডান পায়ের কোনাকুনি শটে সহজেই পরাস্ত করেন ভ্যালেন্সিয়ার গোলরক্ষককে। মেসির হ্যাটট্রিক গোলটা আসে ঠিক দুই মিনিট পর। ভ্যালেন্সিয়ার ডি বক্সের ভেতরে মেসির দিকে বল বাড়িয়েছিলেন নেইমার। বাঁ পায়ের আলতো ছোঁয়ায় চোখের পলকে তা জালে জড়ান মেসি।
মেসির হ্যাটট্রিকে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা। মনে হচ্ছিল, বেশ বড় জয় পেতে চলেছে বার্সা। সেটা হয়নি পস্তিগার কারণে। প্রথমার্ধের খেলা শেষের বাঁশি বাজার আগমুহূর্তে নাটকীয়ভাবে স্কোরলাইন ৩-২ করে ফেলেন ভ্যালেন্সিয়ার এই ফরোয়ার্ড। ৩৯ থেকে প্রথমার্ধের শেষের দিকে যোগ করা তৃতীয় মিনিট পর্যন্ত চার চারটি গোল হয়েছে কালকের ম্যাচে।
ম্যাচের ৫৭ মিনিটে নিজের চতুর্থ গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন মেসি। তবে ডিয়েগো আলভেজের দুর্দান্ত সেভে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। ৮৪ মিনিটে সুযোগ পেয়েছিলেন আবারও। বক্সের ভেতরে নেইমারের কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন মেসি। সহজেই সেটা ভ্যালিন্সয়ার জালে পাঠাতে পারতেন বার্সা জাদুকর। কিন্তু টানা চারটি ব্যালন ডি’অরজয়ী এমন শট নিলেন, যা ঠিক তাঁর মতো খেলোয়াড়ের সঙ্গে মানানসই নয়। ম্যাচের শেষ সুযোগটা পায় ভ্যালেন্সিয়া। ৮৬ মিনিটে হোনাসের শট লাগে বার্সার পোস্টে! ড্র করার সুযোগ হাতছাড়া হয় ভ্যালেন্সিয়ার।’ সূত্র: রয়টার্স।

বেলের দাম হাজার কোটি টাকা!

১৮৯৩ সালে স্কটিশ ফুটবলার উইলি গ্রুভসকে অ্যাস্টন ভিলার কাছে বেচে দিয়েছিল ওয়েস্ট ব্রোম। ভিলার খরচ হয়েছিল কত? ১০০ পাউন্ড!
১০০ বছর পর সেই ফুটবলের সেই দলবদলের রেকর্ড হয়ে গেল নতুন উচ্চতায়। অঙ্কটা ১০০-র বৃত্তেই থাকল। তবে এবার সেটি হয়ে গেল মিলিয়ন! এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তবে খবরাখবর যা আসছে, তাতে সেঞ্চুরিটা করেই ফেলেছেন গ্যারেথ বেল। তাঁকে কিনতে ১০১ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে রিয়াল মাদ্রিদ! ডলারের হিসাবে অঙ্কটা ১৩৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন। পাউন্ডের হিসাবে ৮৬ মিলিয়ন। বাংলাদেশি টাকায় বেলের দাম কত পড়েছে জানেন? এক হাজার ৩৬ কোটি টাকা!
বেলের দামটা হাজার কোটি টাকা পেরিয়ে যাওয়ার মধ্যে অবশ্যই বিস্ময় আছে। তবে এতে কোনো বিস্ময় নেই, দলবদলের বাজারে নতুন রেকর্ডের জন্মদাতা ক্লাবটির নাম রিয়াল মাদ্রিদ। ২০০০ সাল থেকে ট্রান্সফারের সর্বশেষ পাঁচটি রেকর্ডই রিয়ালের সৌজন্যে। তিন কোটি ৭০ লাখ পাউন্ডে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা থেকে লুইস ফিগোকে দলে টেনেছিল রিয়াল, যে ট্রান্সফারটি ছিল বহুল আলোচিত।
পরের বছর ফিগোর সেই রেকর্ড ভেঙেই জুভেন্টাস থেকে রিয়ালে আসেন জিনেদিন জিদান। তাঁকে এনে প্রথম নক্ষত্রপুঞ্জকে রিয়াল পূর্ণ করেছিল চার কোটি ৬৬ লাখ পাউন্ড খরচ করে। এরপর কাকা ও রোনালদোকে কিনতে আরও দুবার রেকর্ড ভাঙে রিয়াল।
১০০ মিলিয়ন ইউরোর সবচেয়ে কাছাকাছি এসেছিলেন রোনালদোই। ২০০৯ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে তাঁকে ভাগিয়ে আনতে রিয়াল খরচ করেছিল ৯৪ মিলিয়ন বা নয় কোটি ৪০ লাখ ইউরো। বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ের সেই অহংকারটি রোনালদোর আর রইল না। রোনালদোরই মতো আরেক উইঙ্গারকে কিনতে এবার ১০০ মিলিয়নের মাইলফলক পেরিয়ে গেল রিয়াল।
কিন্তু আসলে কি বেল এত দামের যোগ্য? উঠছে এই প্রশ্নও।
রোনালদো রিয়ালে আসার আগেই ইউনাইটেডের হয়ে তিনটি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতেছিলেন। ২০০৮ সালে হয়েছিলেন বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ও। সবচেয়ে বড় কথা, রোনালদো যে আসলেই এত দামের যোগ্য, তার প্রমাণ রিয়ালের হয়ে ২০২ ম্যাচে ঠিক ২০২ গোল করে দিয়েও দিয়েছেন এই পর্তুগিজ।
নিজের দামের যথার্থতা প্রমাণের বড় চ্যালেঞ্জ এখন বেলের কাঁধে।

শচীন ,ক্যারিয়ার নভেম্বরে শুরু, আরেক নভেম্বরে শেষ?

১৯৮৯ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল ১৬ বছরের এক কিশোরের। ছোটখাটো হালকা-পাতলা গড়নের সেই খুদে ব্যাটসম্যান মুখোমুখি হয়েছিলেন ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুসদের মতো দুর্ধর্ষ বোলারদের। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ক্রিকেটের বড় সম্পদ, এটা অনেকেই জানতেন। কিন্তু একদিন রেকর্ড বইয়ের পাতায় পাতায় ছড়ানো থাকবে তাঁর নাম, কজনই বা ভেবেছিলেন! ক্যারিয়ারের সেই প্রথম টেস্টটির পর তাঁর নামের পাশে জমা হয়েছিল মাত্র ১৫টি রান। কিন্তু ২৪ বছর পর সেই একই মানুষের পাশে লেখা হয় সর্বোচ্চ ১৯৮টি টেস্ট, সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৮৩৭ রান, সর্বোচ্চ ৫১টি শতকের রেকর্ড। শচীন টেন্ডুলকার এখন ক্রিকেটের সর্বকালের সফলতম ব্যাটসম্যান সন্দেহাতীতভাবেই। ১৬ বছরের সেই কিশোরই এখন চলে এসেছেন ক্যারিয়ারের দ্বারপ্রান্তে। দুই যুগ আগের এক নভেম্বরে যে বিস্ময়কর ক্যারিয়ারের শুরু হয়েছিল, তার অবসানও হয়তো হতে যাচ্ছে আরেক নভেম্বরে। এ বছরের শেষেই ঘরের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলে অবসরের ঘোষণা দিতে পারেন টেন্ডুলকার। ক্রিকেট-বিশ্বকে বেশ কয়েকটি বিস্ময়কর মাইলফলকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন টেন্ডুলকার। টেস্ট-ওয়ানডে, দুই ধরনের ক্রিকেটেই সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা, সবচেয়ে বেশি রান, সবচেয়ে বেশি শতক— প্রায় সব কয়টি রেকর্ডই আছে তাঁর দখলে। বিদায়বেলায় ক্রিকেট বিশ্বকে আরও একটি মাইলফলকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে যাচ্ছেন টেন্ডুলকার। ইতিহাসের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তাঁর নামের পাশে লেখা হতে যাচ্ছে ২০০টি টেস্ট খেলার রেকর্ডও। অনন্য এই মাইলফলক থেকে মাত্র দুটি ম্যাচ দূরে আছেন ভারতের ক্রিকেট-দেবতা।
অনুমান করা হচ্ছে, এই দুই টেস্ট খেলেই অবসরের চূড়ান্ত ঘোষণাটি দিয়ে ফেলবেন টেন্ডুলকার। আর তাঁর বিদায়ী মঞ্চটা যতটা সম্ভব রঙিন করে তোলার সব ধরনের চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। দেশের মাটিতেই যেন শচীন শেষ টেস্ট দুটি খেলতে পারেন, সে জন্য বিশেষভাবে আয়োজিত হতে যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের একটি সফর। আগামী নভেম্বরের এই সফরে এসে দুটি টেস্ট ও পাঁচটি ওয়ানডে খেলবে উইন্ডিজ। শচীন যেন ঘরের মাটিতেই শেষ টেস্টটা খেলতে পারেন, সে জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের সফরের দ্বিতীয় টেস্টের ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া হচ্ছে তাঁরই নাড়িপোঁতা মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামকে। আর প্রথম টেস্টটি হয়তো অনুষ্ঠিত হতে পারে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে।
বাহ্যিক আয়োজন তো সব সম্পন্ন হয়েই গেছে। কিন্তু শচীন কি পারবেন ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে নিজের বিদায়ী টেস্ট দুটি স্মরণীয় করে রাখতে? গত তিনটি বছর দেশের মাটিতে একটি শতকেরও দেখা পাননি টেন্ডুলকার। সর্বশেষ ব্যাঙ্গালুরুতে ২১৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে, ২০১০ সালে। তারপর ভারতের মাটিতে ১৪টি টেস্ট খেললেও ১০০ রানের কোটা পূর্ণ করতে পারেননি। শেষবারের মতো টেস্ট সেঞ্চুরি করেছেন, সেটাও অনেক দিন হয়ে গেছে। ২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শচীনের শেষ টেস্ট সেঞ্চুরিটা এসেছিল কেপটাউনে। তারপর ২১টি টেস্টে শতকবঞ্চিত আছেন টেন্ডুলকার। অথচ গড়ে প্রতি চারটি টেস্টে একটি করে শতক করেছেন ভারতের এই ব্যাটিং কিংবদন্তি।
ক্যারিয়ারের অন্তিম সময়টাতে ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে পারবেন কি না, সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে ভারতের মাটিতেই বিদায় বলতে পারলে হয়তো খুশিই হবেন টেন্ডুলকার। কারণ, এখানেই তাঁর ২৪ বছরের বর্ণাঢ্য ক্রিকেট-ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু স্মৃতি জড়িয়ে আছে।
১৯৮৮ সালে রনজি ট্রফিতে সবচেয়ে কমবয়সী ব্যাটসম্যান হিসেবে শতকের রেকর্ড দিয়েই হয়েছিল শুরুটা। ১৯৯৬ সালে ভারতের অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকটাও হয়েছিল দেশের মাটিতেই। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই ম্যাচে সাত উইকেটের জয় পেয়েছিল ভারত। আর সর্বশেষ ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদটাও তিনি পেয়েছেন ঘরের মাঠ মুম্বাইয়ে।
ওয়ানডেকে বিদায় জানিয়েছেন আগেই। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি তো সেভাবে খেললেনই না। এবার টেস্টকেও বিদায় জানানোর দ্বারপ্রান্তে। টেন্ডুলকারবিহীন ক্রিকেট? এ যে বিরাট এক শূন্যতা!

চটেছেন বোল্ট ম্যানইউর হারে

নতুন কোচ ডেভিড ময়েসের ওপর নিশ্চয়ই ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়ে আছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সমর্থকেরা। অনেকের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া হয়তো পৌঁছাবেই না ময়েসের কান পর্যন্ত। কিন্তু রেড ডেভিলদের সাম্প্রতিক হতাশাজনক পারফরম্যান্স নিয়ে এমন একজন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, যেটা নিশ্চিতভাবেই কানে তুলতে হবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচকে। ম্যানইউর এই ভক্তটির নাম উসাইন বোল্ট। গতকাল লিভারপুলের বিপক্ষে ১-০ গোলে ম্যানইউর হারের পর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন বিশ্বের দ্রুততম মানব। সেখানে ময়েসকে কিছু পরামর্শও দিয়েছেন এই জ্যামাইকান অ্যাথলেট। বোল্ট যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বড় ভক্ত, এটা সবারই জানা। রেড ডেভিলদের জার্সি গায়ে পেশাদার ফুটবলেও নাম লেখানোর ইচ্ছা আছে তাঁর। প্রিয় দলের এমন বিপর্যয়ে বোল্ট তো ক্ষুব্ধ হবেনই। দুটি মৌসুম পর রেড ডেভিলরা হেরে বসেছে লিভারপুলের কাছে। প্রথম তিন ম্যাচে মাত্র চার পয়েন্ট নিয়ে বেশ খানিকটা পিছিয়েই আছে গতবারের শিরোপাজয়ীরা। এই পরিস্থিতিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একজন সৃজনশীল মিডফিল্ডার খুবই দরকার বলে মনে করছেন বোল্ট। নিজের বানানো একটি ভিডিওতে এই গতিদানব বলেছেন, ‘ডেভিড ময়েস, আমাদের দরকার একজন সৃজনশীল মিডফিল্ডার, যে ভালো পাস দিতে পারবে আর গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারবে।’ কথাটির গুরুত্ব বোঝানোর জন্যই হয়তো শেষে ‘এখনই’ বলে একটা চিত্কারও দিয়েছেন বোল্ট।
ভালো মানের একজন মিডফিল্ডার দলে ভেড়ানোর চেষ্টা অবশ্য ইতিমধ্যে জারি রেখেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। নজর আছে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের তারকা মিডফিল্ডার আন্ডে হেরেরার ওপর। শেষ পর্যন্ত যদি সত্যি সত্যিই হেরেরাকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে দেখা যায়, তাহলে হয়তো বোল্টই সবচেয়ে বেশি খুশি হবেন!
<iframe width="420" height="315" src="//www.youtube.com/embed/zK7ukEaR5cw?rel=0" frameborder="0" allowfullscreen></iframe>
 
E-mail : newsbd4@gmail.com
Copyright © 2013-14. XtremeNews Bangladesh Inc. - All Rights Reserved
Powered by Xtreem News ICT Team