You are here : Home »

Latest Post

Technology Xtreme লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Technology Xtreme লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ও অনলাইনে প্রতারণা বাড়ছে

Written By bdnews online on সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ | ৬:৩৭ AM

রোমান্সের দুনিয়ায় এখন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ও অনলাইন ডেটিং সাইটগুলোর জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে৷ ডেক্সটপ, ল্যাপটপ আর মুঠোফোনের কল্যাণে সর্বক্ষণ এইসব অনলাইন সাইটগুলিতে সক্রিয় থাকার সুযোগ রয়েছে৷
 
ওয়েব ক্যাম ব্যবহার করে ভিডিও চ্যাটিং এখন বেশ জনপ্রিয়। আর এই সুবিধা নিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতে বসে আছে দুর্বৃত্তরা।
 
অপরিচিত কারও সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ও অনলাইন ডেটিং সাইটগুলোতে এই ভিডিও চ্যাটিং বিপদের কারণ হতে পারে। ওয়েব ক্যামে বা অনলাইনে অপরিচিত কারও সঙ্গে অসচেতনভাবে ডেটিংয়ের অর্থ এখন প্রতারণার ফাঁদে পা দেয়া।
 
অনলাইনে ওয়েবক্যামে সুন্দরী তরুণী বা যুবকের কথার ফাঁদে পড়ে ধোঁকা খাচ্ছেন অনেকেই, খোয়াতে হচ্ছে অর্থ। সুন্দর ছবি, ভিডিওর আড়ালে কারা রয়েছে তা জানা অনেক সময় দুষ্কর। একটু সাবধানতাই পারে প্রতারণার খপ্পর থেকে বাঁচাতে।
 
ডেটিং প্রতারণার ফাঁদে পা দিয়ে খুয়েছে লাখ ডলার
 
ংঁংঢ়বপঃংকারেন ভ্যাসিউর (৬৩) ও তাঁর মেয়ে ট্রেসি (৪২)অনলাইনে ডেটিং প্রতারণার ফাঁদ পেতে বাণিজ্য ভালোই জমিয়েছিলেন মা ও মেয়ে। ৪০ টি দেশের ৩৭৪ জনকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ১১ লাখ মার্কিন ডলার হাতিয়ে নেন তাঁরা। শেষে আইনি গ্যাঁড়াকলে পড়ে এখন জেলের ঘানি টানছেন দুজন। খবর বিবিসির।
 
প্রতারণা মামলায় দন্ডাদেশ পাওয়া এ দুজন হলেন কারেন ভ্যাসিউর (৬৩) ও তাঁর মেয়ে ট্রেসি (৪২)। তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভারের বাসিন্দা।
 
সম্প্রতি কলোরাডোর আদালত মাকে ১২ ও মেয়েকে ১৫ বছরের কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন। ২০১২ সালে অনলাইনে প্রতারণার ঘটনায় তাদের গ্রেফতার করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
 
যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ভাষ্য, এ দুজন অনলাইনে নিজেদের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দিয়ে লোকজনের সঙ্গে প্রেম করতে চাইতেন। তাঁরা এমনভাবে নিজেদের উপস্থাপন করতেন, যাতে তাদের খপ্পরে পড়া লোকজনের মনে সহমর্মিতা জাগতো। মনে হতো, প্রেমিক খুঁজছেন তাঁরা।
 
তাঁদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে অনেক ব্যক্তিকেই অর্থ খোয়াতে হয়েছে। এভাবে তাঁরা আইন ভাঙার পাশাপাশি অনেক মানুষের মন ভেঙেছে বলেও দাবি করেছেন দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
 
কলোরাডোর অ্যাটর্নি জেনারেল জন সুদার্স জানান, ‘‘প্রেমের নামে ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর নাম ভাঙিয়ে যে অপরাধ তারা করেছে, তার উপযুক্ত শাস্তি  হয়েছে।’’
 
কলোরাডোর অ্যাটর্নি জেনারেল জাচিয়েছেন, প্রতারকরা অনলাইন ডেটিং প্রতারণার বড় একটি নেটওয়ার্ক চালাতেন যে নেটওয়ার্কের অন্য সদস্যদের ধরা সম্ভব হয়নি। এ প্রতারক দলের অন্য সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট বা ডেটিং সার্ভিসগুলোতে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলার নানা চেষ্টা করতেন। কেউ একজন সফল হলে প্রতারণার খপ্পরে পড়া ব্যক্তিকে নানা গল্পের ফাঁদে ফেলা হতো।
 
অনলাইন ডেটিং
 
গল্পের এক পর্যায়ে নিজেদের দুর্দশার গল্প ফেঁদে অর্থ সাহায্য চাইতেন। প্রতারণার ফাঁদে পড়া ব্যক্তিকে ফোন কল করা, তাঁর কাছে বেড়াতে চলে আসা প্রভৃতি বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ চাওয়া হতো। যখন কেউ অর্থ দিতে রাজি হত, তখন ট্রেসি ও তার মা সেনাবাহিনীর এজেন্ট পরিচয়ে নিজেদের অ্যাকাউন্টে অর্থ সংগ্রহ করতেন ।
 
এভাবেই প্রতারণার ফাঁদে ফেলে একবারে ৫৯ হাজার মার্কিন ডলার প্রতারণা করার নজিরও পেয়েছেন আদালত।
 
প্রতারণা থেকে পাওয়া অর্থ এই দুজন ছাড়াও বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ভাগ হয়ে যেত। সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারত, যুক্তরাজ্য, ইকুয়েডর. নাইজেরিয়াতে এ দলের সদস্যরা এখনও সক্রিয়।

স্মার্টফোনে চোখের মারাত্মক ক্ষতি অন্ধ হবারও সম্ভবনা রয়েছে

স্মার্টফোনের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে প্রজন্ম। কিন্তু স্মার্টফোন ডেকে এনেছে ভয়ঙ্কর বিপদ। স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে দিচ্ছে দৃষ্টি ক্ষমতা।
 
ডেভিড অ্যালামবিম নামে এক ব্রিটিশ চক্ষু বিজ্ঞানী গবেষণার মাধ্যমে দাবি করেছেন ১৯৯৭-এ স্মার্টফোন বাজারে আসার পর মায়োপিয়া (কাছের জিনিস দেখার অক্ষমতা) অল্পবয়সীদের মধ্যে অন্তত ৩৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয় আগামী ১০ বছরের মধ্যে স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারী ৫০% তরুণরাই মায়োপিয়ার সমস্যায় ভুগবে।
 
ব্রিটেনের জনসংখ্যার অর্ধেকই বর্তমানে স্মার্টফোনের মালিক। এমনকি ১৮-এর কম বয়সীদের মধ্যেও ব্যপক ভাবে বেড়েছে স্মার্ট ফোনের ব্যবহার। স্মার্ট ফোনের মালিকরা দিনে কম পক্ষে ২ ঘণ্টা স্মার্টফোন ব্যবহারের পেছনে ব্যয় করে। এর সঙ্গেই চলে ল্যাপটপ, টেলিভিশন, ট্যাবলেট, কম্পিউটারের পেছনে সময় ব্যয়।
 
এসব চোখের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এমনকি এর ফলে চিরতরে অন্ধ হয়ে যাবার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
 
নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে স্মার্টফোন মালিকরা সাধারণভাবে চোখের থেকে ৩০ সেন্টিমিটার দূর থেকে ফোন ব্যবহার করে। অনেকে ব্যবহারের সময় চোখের থেকে মাত্র ১৮ সেন্টিমিটার দূরে রাখে স্মার্টফোনকে।
 
গবেষণায় উঠে এসেছে স্মার্ট ফোনের স্ক্রিন চোখের খুব সামনে রেখে দেয়ার ফলে মায়োপিয়ার জন্য দাযয় জিন কার্যকরী হয়ে যাচ্ছে। এপিজেনেটিক এই সমস্যার ফলে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কাছের জিনিস স্পষ্ট ভাবে দেখার অক্ষমতা। ২১থেকে ৩০ বছর বয়সীদের ভয়াবহ ভাবে বাড়ছে মায়োপিয়া।
 
অ্যালামবিম আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই রকম চলতে থাকলে ২০৩৩-এর মধ্যে ৩০বছর বয়সী স্মার্টব্যবহারকারীদের ৪০%-৫০% মায়োপিয়ার সমস্যায় ভুগবে। মহামারি আকারে দেখা দেবে মায়োপিয়া।
 
ছেলে-মেয়েদের কোন বয়সে স্মার্টফোন দেয়া হবে তা নিয়ে অভিভাবকদের সতর্ক হবার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
 
সারা পৃথিবীতে চলতি বাজার অনুযায়ী ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা সব থেকে বেশি স্মার্টফোন ব্যবহার করে। ২০১৪-এর মধ্যে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সীরা বয়স ভিত্তিক দল হিসাবে স্মার্টফোনের ব্যবহারের ক্ষেত্রে সারা পৃথিবীতে দ্বিতীয় বৃহত্তম হবে।

চার্জ সংরক্ষণে ব্যাটারির প্রয়োজন হবে না

চার্জ সংরক্ষণে ব্যাটারির প্রয়োজন পড়বে না। মার্কিন গবেষকেরা তারবিহীন যন্ত্রে ব্যাটারিতে চার্জ সংরক্ষণের পরিবর্তে ভিন্ন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবনে কাজ করছেন। তাঁদের দাবি, প্রচলিত চার্জ দেয়ার পদ্ধতির বিকল্প হবে এ পদ্ধতি, যাতে ব্যাটারির প্রয়োজন পড়বে না। তারবিহীন উপায়ে বেতার তরঙ্গ থেকেই চার্জ সংগ্রহ করবে যন্ত্র। টাইম অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা তারবিহীন প্রযুক্তির যন্ত্রে তরঙ্গের মাধ্যমে চার্জ দেয়ার পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন। তাঁরা কয়েকটি প্রোটোটাইপ যন্ত্রও উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন।
গবেষকদের দাবি, তাঁদের তৈরি যন্ত্রগুলো পরস্পর ব্যাটারিবিহীন উপায়ে যোগাযোগ করতে সক্ষম। এ ক্ষেত্রে যন্ত্রগুলো বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে। এ পদ্ধতিটির নাম ‘অ্যামবিয়েন্ট ব্যাকস্ক্যাটার’।
এ পদ্ধতিতে তারবিহীন যন্ত্র নির্দিষ্ট বেতার তরঙ্গকে যোগাযোগ ও শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করে। পদ্ধতিটির সঙ্গে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন পদ্ধতিটির মিল থাকলেও শক্তির উৎস ব্যবহারে পার্থক্য রয়েছে।
এ যন্ত্রে উচ্চশক্তির তরঙ্গ উেসর প্রয়োজন পড়ে না; বরং তা এক যন্ত্র থেকে আরেক যন্ত্রে যোগাযোগ করতে পারে।
পরিধেয় কম্পিউটার তৈরিতে এ প্রযুক্তিটি কাজে লাগানো যাবে বলেই মনে করছেন মার্কিন গবেষকেরা। এ ছাড়া স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে ব্যাটারি ফুরিয়ে গেলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হবে বলেই জানিয়েছেন তাঁরা।

গাছের মতো সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে নিজের খাবার তৈরী করবে মানুষ

গাছ যেভাবে পাতার সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে নিজের খাবার নিজে তৈরি করে, ভবিষ্যতে আপনিও নিজের খাবার নিজেই তৈরি করতে পারবেন। এজন্য অবশ্য একটি বিশেষ পোশাক পরিধান করতে হবে আপনাকে। পোশাকটির নাম ‘সিমবায়োসিস স্যুট’। সিমবায়োসিসের বাংলা অর্থ দাঁড়ায় মিথজীবিতা।
প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন গবেষক মাইকেল বার্টন ও মিচিকো নিত্তা সম্প্রতি ‘অ্যালজিকালচার সিমবায়োসিস স্যুট’ প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন। তাঁদের তৈরি প্রকল্প অনুয়ায়ী অ্যালজি বা শৈবাল থেকে উৎপন্ন খাবার সরাসরি মানুষের শরীর শোষণ করে নিতে পারবে। এ বিশেষ স্যুট পরিধান করে রোদে বের হলে তা খাবার তৈরি করা শুরু করবে। এ প্রক্রিয়ায় মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস থেকে সংগৃহীত হবে কার্বন ডাই অক্সাইড।
২০১২ সালে বিশেষ ধরনের এ স্যুটটি দেখিয়েছিলেন গবেষকেরা। বর্তমানে এটি আরও উন্নত করতে কাজ করছেন তাঁরা।
গবেষকেদের দাবি, অ্যালজিকালচার নকশা মানুষ ও শৈবালের মধ্যে মিথজীবী সম্পর্ক দেখাতে সক্ষম। প্রকল্পটি এমন একটি ভবিষ্যতে কথা জানায় যেখানে মানুষ তার শরীরের ভেতর শৈবাল উৎপন্ন করবে এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য তৈরি করবে। ভবিষ্যতে মানুষ টিকে থাকার জন্য শরীরকে খাবার উৎপাদনের জন্যই কাজে লাগাবে।

১৫ বছরের মধ্যেই আসছে রোবট যুগ !!

২০২৯ সালের মধ্যেই মানুষের বৃদ্ধিবৃত্তির পর্যায়ে চলে আসবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন যন্ত্র। এসময়ের মধ্যে রোবট বা কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রগুলো মানুষের মতো চিন্তা করতে পারবে, ভালো-মন্দের সিদ্ধান্ত নিতেও সক্ষম হবে। মার্কিন প্রকৌশলী ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষক রে কার্জউইল সম্প্রতি এ আশা ব্যক্ত করেছেন। এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।
 
রে কার্জউইল জানিয়েছেন, ২০৩০ সাল নাগাদ প্রযুক্তি এতোটাই অগ্রসর হবে যে, মানুষ শরীরের জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে আয়ু বাড়িয়ে নিতে পারবে। শরীরের ভেতর ন্যানো রোবট বসিয়ে কোনো স্থান আক্রান্ত হলে তা সারিয়ে তোলাও সম্ভব হবে।
গুগলে কর্মরত ৬৫ বছর বয়সী রে কার্জউইলের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। সাক্ষাৎকারে রে কার্জউইল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে, এমন কম্পিউটার ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা মানুষের বুদ্ধিমত্তার কাজে লাগানো যায়। মানুষের ক্ষেত্রে আবেগ শনাক্ত করাটা বুদ্ধিমত্তার একটি বড় বৈশিষ্ট্য। কৃত্রিম বুদ্ধিবৃত্তিক যন্ত্রের মধ্যেও এ বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন যাতে মানুষের সঙ্গে ভালোভাবে যোগাযোগ করতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমানরা। আবেগ বুঝতে পারলে এসব যন্ত্র ভাষা বুঝতে পারবে আর ভাষা বুঝতে পারলেই জ্ঞানে লদ্ধ হবে রোবট।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে গবেষণার অগ্রগতি সম্পর্কে রে কার্জউইল জানিয়েছেন, বর্তমানে কৃত্রিম গবেষণায় উন্নয়ন দ্রুত এগিয়ে চলছে। আইবিএমের তৈরি ওয়াটসন কম্পিউটার এখন ধাঁধা গেম খেলতে পারে। এছাড়াও তৈরি হয়েছে স্বয়ংক্রিয় বা চালকবিহীন গাড়ি। এখন মুঠোফোনেও চলে এসেছে কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তার ব্যবহার। মুঠোফোনে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় কারণ মুঠোফোনে সিরি বা গুগল নাউ-এর মত সফটওয়্যার যুক্ত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল ব্যবহার করে এখন বুদ্ধিবৃত্তিক যন্ত্র তৈরি করা সম্ভব।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে রে কার্জউইল জানিয়েছেন, ২০৪৫ সাল নাগাদ মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে যন্ত্রের বুদ্ধিমত্তা ছাড়িয়ে যাবে এমন ধারণা করা হলেও এ সময়ের আগেই তা অর্জন করা সম্ভব। ২০২৯ সালেই সম্ভবত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের বুদ্ধির সম পর্যায়ে চলে আসবে এবং ‘টিউরিং টেস্ট’ পাশ করে যাবে। টিউরিং টেস্ট হচ্ছে, বিজ্ঞানী অ্যালান টিউরিং প্রবর্তিত মানবিক বুদ্ধিমত্তা এবং কম্পিউটারের বুদ্ধিমত্তার পার্থক্য করার একটি পদ্ধতি। মানুষ-এর বুদ্ধিমত্তা আর কম্পিউটারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মধ্যে পার্থক্য করতেই টিউরিং টেস্ট করা হয়। টিউরিং টেস্ট চালু হবার পরেই এ টেস্ট নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। যে, প্রশ্নটি বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে আর তা হচ্ছে মানুষের মতো বুদ্ধিমান কম্পিউটার কী আদৌ তৈরি করা সম্ভব? আর যদি তা হয়ও, তবে কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়াবে? এ প্রশ্নটির উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন গবেষকরা।
গবেষক রে কার্জউইল জানান, বর্তমানে ক্লাউড প্রযুক্তির মত প্রযুক্তিতে বিভিন্ন পণ্যের মধ্যে তথ্য বিনিময় করা সহজ হয়েছে। ২০৩০ সাল নাগাদ মানুষের মস্তিষ্ক থেকে সরাসরি যন্ত্রে তথ্য স্থানান্তর করা যাবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমানরা কী মানুষকে ছাড়িয়ে যাবে বা মানুষের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে? এ প্রশ্নের জবাবে এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, আমরা আধুনিক প্রযুক্তির দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কথা বলছি। মঙ্গল গ্রহ থেকে কৃত্রিম কোনো বুদ্ধিমান প্রাণী এসে আমাদের আক্রমণ করবে তা নিয়ে ভাবছি না। এ বিষয়ে ভাবনার চেয়ে আমরা ভাবছি আমাদের নিজেদের তৈরি কৃত্রিম যন্ত্রগুলো নিয়ে, যা পুরোটাই প্রযুক্তির উন্নয়ন। আমাদের হাতে তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমানরা কখনও আমাদের বিপক্ষে যাবে না।
বর্তমানে যন্ত্র যেমন আমাদের বুদ্ধিমত্তাকে বাড়িয়ে তুলছে ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা করবে যন্ত্র।
গবেষক কার্জউইল আশা করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরিতে বসে গুগল বা ফেসবুক তৈরি হয়েছে। এখন আফ্রিকার একটি শিশু ১৫ বছর আগের মার্কিন প্রেসিডেন্টের চেয়েও বেশি তথ্য জানতে পারে। তাই, প্রযুক্তিকে সব সময় দ্বিমুখী তলোয়ার বলা যেতে পারে যার ভালো-মন্দ দুটো দিকই রয়েছে; তবে ভালোর দিকটাই বেশি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মানুষের দীর্ঘায়ু দেখার প্রত্যাশা করছেন মার্কিন এই গবেষক।

প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গ মূল্য ২ কোটি মার্কিন ডলার

অবশেষে দীর্ঘ নাটকীয়তার পর থ্রিজি তরঙ্গ নিলাম আবেদন জমা দিয়েছে বেসরকারি পাঁচ অপারেটর। সোমবার থ্রিজি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি কার্যালয়ে লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সসিং বিভাগে এ আবেদন জমা দেয়া হয়। সূত্র এ তথ্য দিয়েছে।
১২ আগস্ট সোমবার আনুষ্ঠানিক শেষ সময় ৫টার কিছু আগেই এ আবেদন জমা দেয় গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, এয়ারটেল, সিটিসেল এবং রবি কর্মকর্তারা।
লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সসিং বিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুজ্জামান পাঁচ অপারেটরের এ থ্রিজি আবেদন গ্রহণ করেন।
থ্রিজি নীতিমালায় একটি বিদেশি অপারেটরের আসার সুযোগ থাকলেও কোনো বিদেশি অপারেটর এ আবেদনে অংশগ্রহণ করেনি। অবশ্য রাষ্ট্রয়াত্ত অপারেটর টেলিটকের আগেই আবেদন জমা দিয়েছে।
আবেদন জমা দেয়ার পর বিটিআরসি চেয়াম্যান সুনীল কান্তি বোস সাংবাদিকদের বলেন, এখন আনুষ্ঠানিকভাবে থ্রিজি নিলামের প্রস্তুতি শুরু হল। লাইসেন্স আবেদন জমা দেয়ার আগে বেসরকারি অপারেটরদের সিইওদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান।
অপারেটরদের কর কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন আপত্তি এবং নানামুখী সমস্যা আন্তরিকতার সঙ্গে সমাধান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান। এখন অপারেটরেরা খুব খুশি। বিদেশি অপারেটর না এলেও নিলামে প্রতিযোগিতা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান।
থ্রিজির আবেদন প্রসঙ্গে গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসাইন সাংবাদিকদের বলেন, কিছু ইস্যু এখনও অমীমাংসিত। অচিরেই তা মীমাংসা হবে বলে।
রবি’র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদুর রহমান বলেন, নতুন গ্রাহকের কাছে থ্রিজি প্রযুক্তিসেবা দিতে আমরা এগিয়ে এসেছি।
বাংলালিংকের জ্যেষ্ঠ পরিচালক জাকিউল ইসলাম বলেন, বিড আর্নেস্ট মানি জমা দেয়ার আগেই অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর সমাধান হয়ে যাবে বলে আশা করছি।
এয়ারটেলের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার আশরাফ এইচ চৌধুরি এবং সিটিসেলের মহাব্যবস্থাপক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) শরিফ শাহ জামাল রাজ থ্রিজির আবেদন জমা দেন।
অপারেটরদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস বলেন, বিড আর্নেস্ট মানি জমা দেয়ার আগে আলোচিত দাবিগুলোর নিস্পত্তির উদ্যোগ নেয়া হবে।
অপারেটরেরা আবেদন জমা দেয়ার সঙ্গে কোনো শর্ত দিয়েছে কি না এমন প্রশ্নের সদুত্তরে সুনীর বোস সাংবাদিকদের বলেন, আবেদনকৃত পাঁচ অপারেটরের কেউই কোনো শর্ত আরোপ করেনি।
এরই মধ্যে ছয় অপারেটরের মধ্যে সরকারি অপারেটর টেলিটক পরীক্ষামূলক থ্রিজি সেবা দিচ্ছে। চূড়ান্ত নীতিমালা অনুযায়ী টেলিটক নিলামে অংশ না নিলেও নিলামে যে দর উঠবে, সে একই পরিমাণ টাকা দিয়েই সরকারি টেলিটককেও লাইসেন্স নিতে হবে। আর টেলিটক ছাড়াও মোট পাঁচ অপারেটরকে থ্রিজির লাইসেন্স দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
এদিকে ১২ অগাস্ট তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিসেবা (থ্রিজি) তরঙ্গ নিলাম আবেদন জমার শেষ সময় ঠিক করা হয়। নিলামের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর।
প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গ মূল্য ২ কোটি মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিসেবা (থ্রিজি) লাইসেন্স নীতিমালা চূড়ান্ত করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়।
চূড়ান্ত নীতিমালায় বাংলাদেশের বেসরকারি পাঁচ মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে তিনটি এবং নতুন একটি অপারেটরকে লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ আবেদনের মাধ্যমে নির্বাচিত অপারেটরেরা ১৫ বছরের জন্য থ্রিজি লাইসেন্স পাবে।
 
E-mail : newsbd4@gmail.com
Copyright © 2013-14. XtremeNews Bangladesh Inc. - All Rights Reserved
Powered by Xtreem News ICT Team